রবিউল হাসান লায়ন , জামালপুর, জনতারআদালত.কম । ১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ।

শিক্ষক সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন জিল বাংলা চিনিকলের পাবলিক রিলেশন কমিটি(পি আর সি)’র নেতা ও পূর্ব পাকিস্তান প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মরহুম আলহাজ আব্দুর রহমান মাষ্টার ও ইসলামপুর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তদানীন্তন পিআরসি’র সাধারন সম্পাদক খন্দকার আব্দুস সামাদ। স্কুল ও কলেজ শাখা মিলে প্রতিষ্ঠানটিতে ৫ টি শাখা চালু রয়েছে।
এছাড়াও ২০১৬ সালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স(মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল) চালু হয় । এখানে ডিপ্লোমা ২ পর্বে মোট ১৫৪ জন শিক্ষাথী অধ্যায়নরত আছে ।ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনার জন্য কোনও শিক্ষক নেই ।৫ টি ট্রেডে ২০ জন শিক্ষক পদের মধ্যে মাত্র ৭ জন শিক্ষক দিয়ে ট্রেড কলেজ(মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। বর্তমানে এই কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪শত শিক্ষার্থী রয়েছে ।
ডিপ্লোমাতে সিভিল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চালু না থাকায় জামালপুরের পশ্চিম অঞ্চলের ছেলেমেয়েরা এসব বিষয় নিয়ে পড়তে দেশের বিভিন্ন কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয় ।এছাড়াও এই কারিগরী কলেজে বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষকের দাবীতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করলেও সমস্যার সমাধান আজোও হয়নি। কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রিফাত মোল্লা জানান, শিক্ষক সংকট নিয়ে আমরা বহুবার কতৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করেও কোনও ফল পাইনি। শিক্ষার্থীরা এ নিয়েও আন্দোলনও করেছে ।
কিন্তু কর্তৃৃপক্ষ এ দাবীর বিষয়ে কোনও কর্নপাত করেনি। কলেজে ছাত্রাবাস,ক্রীড়াসামগ্রী,আধুনিক বিজ্ঞানাগার,ডিপ্লোমা ভবন,অডিটরিয়ামসহ নানা চাহিদা অপূরনীয় রয়েছে । কলেজের অধ্যক্ষ এম এ কামাল জমাদার জানান, শিক্ষক সংকট নিরসনের জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে।
শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও সূধীসমাজ মনে করছেন এই অঞ্চলের একমাত্র সরকারী বিদ্যাপীঠ ,দেওয়ানগঞ্জ সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজটি উন্নয়নের ক্ষেত্রে অভিভাবকহীন অবস্থায় বিরাজ করছে।


























