নড়াইল প্রতিনিধি , জনতারআদালত.কম । ১২ অক্টোবর, ২০১৭ ।

পৌরসভাসহ তিন উপজেলাতে চালু হওয়া খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রির দোকানগুলোতে প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে। ওএমএস’র দোকানে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা বাজার মূল্য থেকে কেজি প্রতি ২০ টাকা কম। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৩ সপ্তাহ আে েেথকে খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু হওয়ায় খুচরা বাজারে চালের দাম কমতে শুরু করেছে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল পৌরসভাসহ ৩ উপজেলায় মোট ১৭টি ওএমএস কেন্দ্রে চাল বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে নড়াইল পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ১১টি কেন্দ্রে, লোহাগড়া উপজেলায় ৩টি কেন্দ্রে এবং কালিয়া উপজেলায় ৩টি কেন্দ্রে খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম চলছে।
জেলা সদরের রুপগঞ্জ বাজার এলাকার দুটি ওএমএস কেন্দ্রে চাল কিনতে আসা বেশ কয়েকজন ক্রেতা এ প্রতিনিধিকে জানান, গত মাস দেড়েক আগে হঠাৎ বাজারে চালের দাম বৃদ্ধির পর খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু হওয়ায় নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষ ওএমএস কেন্দ্র থেকে তাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে চাল কিনতে পারছে।
রুপগঞ্জ বাজারের ওএমএস ডিলার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, বাজার মূল্য থেকে ওএমএস কেন্দ্রে চালের দাম আনুপাতিক হারে কম থাকায় ওএমএস কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে। পৌর এলাকার প্রতি ডিলারকে প্রতিদিন বিক্রির জন্য মাত্র ৫৫৫ কেজি চাল বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার কেজি করে চালের চাহিদা রয়েছে বলে তিনি জানান।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মনোতোষ কুমার মজুমদার জানান,বাজারে চালের মূল্যের উর্ধ্বগতি রোধ করতে ও বাজার দর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ওএমএস কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ কার্যক্রম চালুর পর বাজারে চালের মূল্য কমতে শুরু করেছে। লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার মোট ৬টি ওএমএস কেন্দ্রে প্রতিদিন মোট ৬ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কোন আড়তদার বা মিলার চাল মজুদ করে চালের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যাতে চালের মূল্য বৃদ্ধি করতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।


























