রবিউল হাসান লায়ন , জামালপুর , জনতারআদালত.কম । ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ।

নির্বাচনী ডামাঢোল বেজে উঠেছে জামালপুরে ৫টি আসনের সর্বত্র। যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের দু’পাড়ে ৭টি উপজেলা নিয়ে ৫টি নির্বাচনী আসনে বইছে আগাম ভোটের হাওয়া। নির্বাচনমুখি আলোচনা চলছে হোটেল-রেস্তোরা,বাজার-ঘাট,মার্
পরিবারিক বৈঠক শেষে নির্বাচনী এলাকায় নিজের পরিচিতি তুলে ধরতে উঠান বৈঠক,গন সংযোগ,সভা-সেমিনারে ও মতবিনিময়ে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঘন ঘন হচ্ছেন উপস্থিত। কেন আমাকে ভোট দেবেন ? ভোট প্রার্থনায় নিজের প্রতি ভোটারদের নজর কাড়তে নানা যুক্তি উপস্থাপন করে আওরাচ্ছেন আশ্বাসের ফুলঝুড়ি। ভোটাররাও আগামীতে কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি বানাবেন এই নিয়ে করছেন চুলচেরা বিশ্লেষন। কে হবে ভবিষৎ সংসদ সদস্য অপেক্ষার রয়েছেন জেলার ২৪ লাখ ভোটার।
এবার জামালপুরের প্রত্যেকটা আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর ছড়াছড়ি। রাজনৈতিক দলগুলোতে মনোয়নের প্রতাশায় প্রার্থী ঘোষনা দিয়েছেন একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগে জামালপুর-৫ সদরে ও জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ীতে এক ডজন, জামালপুর-২ ইসলামপুরে অর্ধডজন ও দেওয়ানগঞ্জ -বকসীগঞ্জে একাধিক সম্ভাব্য প্রাথী দলীয় মনোনয়ন লড়াইয়ে প্রার্থী ঘোষনা দিয়ে মাঠে নেমেছে।
বিএনপিতে একাধিক প্রার্থী থাকলেও সংখ্যায় হাফ ডজন ছাড়িয়ে যায়নি। আসন গুলোতে ভোট সামনে রেখে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীকে ঘিরে দল-উপদলে এমনকি বহুধাবিভক্ত হয়ে অভ্যন্তরীন কোন্দল নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।এদিক থেকে ব্যতিক্রম জামালপুর-৩ মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনে আওয়ামীলীগের একক প্রার্থী পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম ও জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ী আসনে বিএনপি’র সাবেক মহাসচিব মরহুম ব্যারিষ্টার আব্দুস সালাম তালুকদারের ভাতিজা জেলা বিএনপি’র সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম। তারা দুজনই মনোনয়ন লড়াইয়ে রয়েছেন সুবিধা জনক অবস্থানে। মাদারগঞ্জে আওয়ামীলীগ ও সরিষাবাড়ীতে বিএনপিতে মনোনয়ন নিয়ে দলীয় কোন্দল নেই। এই দু’দলের বাইরে জাতীয় পার্টি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি(জেপি), বিএনএফ ও কমিউনিষ্ট পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে রয়েছেন। ৩টি আসনে ৪ জন সম্ভাব্য নারী প্রাথী অংশ নিয়েছেন মনোনয়ন লড়াইয়ে। ব্যবসায়ী প্রার্থীর সংখাও কম নয়।। টাকাওয়ালা প্রার্থীর সিংহভাগই ঢাকা প্রবাসী। তারা নির্বাচনী এলাকায় আসেন কালে ভাদ্রে।
জামালপুর-৫ সদর আসনে কথা সাহিত্যিক মরহুম হুমায়ুন আহমেদের শশুর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলীও সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। কেন্দ্র থেকে তৃনমুল নেতাকর্মীদের পিছু দৌড়াচ্ছে এসব সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
জামালপুর-৫ (সদর) আসন নিয়ে এবারের নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিগত দশম সংসদ নির্বাচনে ভোট লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন আওয়ামীলীগের সাবেক ভুমি মন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য রেজাউল করিম হীরার সাথে বিএনপি’র সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী সিরাজুল হক। এবারও বিএনপি আওয়ামীলীগের মধ্যে মুল প্রতিদ্বন্দিতা হবে আসনটিতে।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের মনোনয়নের দাবীদার হয়েছেন ১ ডজন সম্ভাব্য প্রার্থী। তারা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক ভুমি মন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা, প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট জাহিদ আনোয়ার, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট বাকী বিল্লাহ, ,সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যন ফারুক আহমেদ চৌধুরী, সাবেক ছাত্র নেত্রী আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি, শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজনু, শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর ইকবাল জাফু,সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ডা: আব্দুল মান্নান, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বিজন কুমার চন্দ ও সাবেক সদর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ।
পর পর চারবার নির্বাচিত বর্তমান এমপি রেজাউল করিম হীরার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন বিমুখের অভিযোগ থাকলেও ক্ষমতা ভোগের বদনাম নেই। তার মুখের আলোচিত শব্দ বিধি মোতাবেকই চলছেন তিনি। এদিকে দলের ১২ প্রার্থীর মধ্যে বেশক’জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিলে জামানত হারাবে এমন অভিমত সদরের ভোটারদের। বয়সের বিবেচনায় সদর আসনে নতুন মুখের সম্ভবনার অভিমতও জানাচ্ছে দলটির নেতাকর্মীরা। সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রেজাউল করিম হীরাই দলের মনোনয়ন পাবেন এমন আলোচনাও শোনা যাচ্ছে হীরা বিরোধী সমালোচকদের মুখেও। । শেষ মুহুর্তে দলীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
এদিকে সদর আসন পুনরুদ্ধারে তৃনমুল পর্যায়ে নির্বাচনমুখী কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। ভোটের লড়াইয়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দিতা গড়ে তুলতে নিচ্ছেন প্রস্তুতি। একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী থাকলেও কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পর্যায়ে এমনকি নিয়মিত গন সংযোগ ও মতবিনিময়ে ভোটারদের নজর কেড়েছে কেন্দ্রিয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন। তিনি জামালপুর পৌরসভার পর পর দু’বার নির্বাচিত পৌর মেয়র ছিলেন। সদরে মামুনেরই বিএনপি’র মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভবনা বেশী। অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, সাবেক উপমন্ত্রী সিরাজুল হক, সাবেক সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন মল্লিক ভোলা। জাতীয়পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। জাতীয়পার্টি আওয়ামীলীগের সাথে নিবার্চনী জোটে গেলে জাকির হোসেনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের সম্ভবনা রয়েছে নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শোনা যাচ্ছে।
জামালপুর ৪- সরিষাবাড়ী আসনটিতে গত নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির মামুনুর রশিদ জোর্য়াদার। তিনি বর্তমান সংসদ সদস্য। প্রার্থী ছিলনা আওয়ামীলীগের। মহাজোটের প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রার্থী সাংবাদিক মোস্তুফা বাবুল। এই আসনে এবার জোটের মনোনয়ন বন্টনের অংক কষাকষির চিত্র ভিন্ন হতে পারে। আওয়ামীলীগের অর্ধডজন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নের লড়াইয়ে মাঠে রয়েছে। এরা হলেন সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম,ঢাকার তেজগাঁও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ,সাবেক এমপি জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: মুরাদ হাসান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাদশা, সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল মালেকের ছেলে আওয়ামীলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও তেজগাঁও কলেজের উপধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, প্রিন্সিপাল লুৎফর রহমান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম।
আসনটির দিকে শরিক দলেরও রয়েছে বিশেষ নজর। আওয়ামীলীগের সাথে সম্ভাব্য নির্বাচনী জোটের শরিকদের মধ্যে বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয়পার্টির মামুনুর রশিদ জোয়ার্দার ও বিএনএফে’র মোস্তুফা বাবুল শক্ত দাবীদার হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

এদিকে জেলা বিএনপি’র সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম বিএনপি’র একক প্রার্থী থাকায় তিনিও রয়েছেন আগাম ভোটের লড়াইয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে।
জামালপুর-৩ মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনে আওয়ামীলীগের একক সম্ভাব্য প্রার্থী পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রি মির্জা আজম। ক্ষমতা ভোগের অভিযোগ থাকলেও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী না থাকায় এবারও তিনিই পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন। এ আসনে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী ৯০’র গন আন্দোলনের ছাত্রনেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা গোলাম রব্বানী। এবারও ভোটের আগাম হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে আজম-বাবুলেরই নাম। জেলার ৫টি আসনের মধ্যে এই আসনটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীর সংখ্যা কম। তবে ভোটারদের নজর কাড়তে পোষ্টার ব্যনার সাটিয়েছেন চিরপ্রতিদ্বন্দি এই দুই প্রার্থী। জাতীয় পার্টির মেলান্দহ উপজেলা আহবায়ক দিপু সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষনা দিয়ে মাঠে রয়েছেন।
জামালপুর-২ ইসলামপুর আসন। এ আসনটি বন্যা ও নদী ভাঙ্গন প্রকৃতিক দুর্যোগ প্রবন জনপদ। আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান দুলাল, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেক্টর কমান্ডার মরহুম খালেদ মোশারফের মেয়ে খালেদ মেহজাবিন বেবী, সাবেক ভুমি প্রতিমন্ত্রী মরহুম রাশেদ মোশারফের ছেলে জাবেদ মোশারফ রুপক , উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিয়াউল হক, পৌর মেয়র কাদের শেখ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুস সালাম। বর্তমান সংসদ সদস্য ও সংরক্ষিত সংসদ সদস্যের মনোনয়নের লড়াই ভোটারদের নজর কেড়েছে। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক কেবিনেট সচিব আব্দুল হালিম। বিএনপি’র দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর নির্বাচনী গনসংযোগ চোখে পড়ছেনা। দুজনেরই নির্বাচনী এলাকায় পা পড়ে কালেভাদ্রে।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকসীগঞ্জ) এ আসনে বিগত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন সাবেক তথ্য মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদের সাথে বিএনপি’র কেন্দ্রিয় নেত্রী শাহিদা আক্তার রিতা। সাবেক এমপি দুর্নিতীর অভিযোগে পলাতক থাকায় দলীয় মনোনয়ন পান শাহিদা আক্তার রীতা। এবারের নির্বাচনে মনোনয়নের লড়াইয়ে আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক তথ্য মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শিল্পপতি নুর মোহাম্মদ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হলেন সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ সাত্তার। তবে আওয়ামীলীগের সাথে জাতীয় পার্টি নির্বাচনী জোটে গেলে মহাজোটের মনোনয়নের টিকিট জুটতে পারে এম এ সাত্তারের কপালে ।
বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক আইজিপি আব্দুল কাইউম, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেত্রী সাহিদা আক্তার রিতা ও সাবেক সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সম্ভাব্য প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে বিএনপি’র অভ্যন্তরে দ্বিধাবিভক্তি-ত্রিধাবিভক্তি দেখা দিয়েছে। ১/১১’র সময়ে বিএনপি’র সমালোচিত সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত হাওয়া ভবনের কলংকের তিলক কাটিয়ে উঠতে না পারলে আগামী নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়নের টিকিট কপালে নাও জুটতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষনা অনুযায়ী ভোটের লড়াইয়ে অংশ নেয়া দলগুলোর নারী প্রার্থী সংখ্যানুপাতিক হারে বাড়াতে হলে এই আসনে বিএনপি’র মনোনয়নে সর্বশেষ ভোটের লড়াই অংশ নিয়ে ৭০ হাজারের বেশী ভোট পাওয়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্ভাব্য প্রার্থী সাহিদা আক্তার রিতার কপাল খুলে যেতে পারে।
জামালপুরের নির্বাচনী আসনগুলোতে সরকারী দল আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্যরা মনোনয়ন পাওয়ার প্রবল আস্থায় রয়েছে। তারা আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার আশায় ভোটারদের দিচ্ছেন নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রতি। বিরোধী দল বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা বর্তমান সংসদ সদস্যদের অনিয়ম দুর্নিতী ও ব্যর্থতা তুলে ধরে আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হলে জনগনের পাশে থেকে কাজ করে সমৃদ্ধির পথে জামালপুরকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। এবার জেলার ৫টি আসনের মধ্যে ৪টি আসনেই একাধিক প্রার্থী হওয়ায় আগাম নির্বাচনী ডামাঢোলে সরব হয়ে উঠেছে জেলার সর্বত্র।


























