spot_img

কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার প্রতিনিধি , জনতারআদালত.কম । ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে উখিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে তিনি রোহিঙ্গাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। এরপর তিনি শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, পূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, কক্সবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলম, মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উখিয়ায় আসেন।

এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি এবং আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক আগে থেকেই উখিয়ায় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ১৯০৯ ফ্লাইটটি অবতরণ করে কক্সবাজার বিমানবন্দরে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক,  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

বিমানবন্দরে অবতরণের পর সেখান থেকে সড়কপথে উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের দেয়া প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। পরে সার্কিট হাউজে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর নামাজ ও মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে চারটার আগে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
এদিকে বিদেশি শরণার্থী শিবির হলেও নানা কারণে অপরাধ প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো। তাই প্রধানমন্ত্রীর আগমনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবি সদস্যরাও নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছেন।

একই সঙ্গে সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন তৎপর রয়েছে। কয়েক হাজার নিরাপত্তাকর্মী ক্যাম্পের ভেতর ও বাইরে দায়িত্বপালন করছেন।জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়। প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ