spot_img

আজ সারাদেশে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা

ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।  

মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আজ সারা দেশে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে।

সাম্য, ত্যাগ ও মানবিকতার বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবারও এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর মিলনমেলায় মুখর হয়ে উঠেছে চিরায়ত পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন।

ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি ও পথের কষ্ট উপেক্ষা করে মানুষ ইতোমধ্যেই পৌঁছে গেছে আপনজনের কাছে। পশু কোরবানির ত্যাগ ও প্রিয়জনের মিলনের আনন্দে এবারের ঈদ উৎসব আরও গভীরতা পেয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি চলছে।

ছবি : বাসস

ছবি : বাসস

ঈদুল আজহায় সবাই সাধ্য অনুযায়ী নতুন বা পরিষ্কার পোশাক পরে, আতর-সুগন্ধি মেখে মসজিদ কিংবা ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন। এক কাতারে দাঁড়িয়ে মুসল্লিরা ঈদের নামাজ শেষে বুকে বুক মিলিয়ে ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেন।

এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্য অনুযায়ী পছন্দের পশু কোরবানি করা হয়। আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কোরবানি ওয়াজিব। সাধারণত গরু, ছাগল ও মহিষ কোরবানি দেওয়া হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দুম্বা, ভেড়া ও উটও কোরবানি করা হয়ে থাকে।
কোরবানির পর মাংস সাধারণত তিন ভাগ করা হয়। এর এক ভাগ কোরবানিদাতা নিজের জন্য রাখেন। বাকি দুই ভাগ আত্মীয়স্বজন ও গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। কেউ একাই পশু কোরবানি দেন, আবার কেউ অন্যদের সঙ্গে অংশীদার হয়ে কোরবানি করেন। সামর্থ্যে ভিন্নতা থাকলেও কোরবানির আনন্দ ও দায়িত্ব সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।

ছবি : বাসস

ছবি : বাসস

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বছর ঘুরে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি এই শুভক্ষণে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই ঈদ মোবারক। বিশ্ববাসীকেও জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমান পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রস্তুত। ইসলামের এই মহিমান্বিত উৎসব শুধু আনন্দের নয়, বরং তা স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন ও ত্যাগের এক চিরন্তন বার্তা বহন করে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এ দিবসকে মুসলিম উম্মাহর কাছে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ