ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
জাতীয় নির্বাচনে জয় লাভ করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর নরেন্দ্র মোদি তার অফিসিয়াল ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে এই শুভেচ্ছা বার্তা শেয়ার করে মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নিরঙ্কুশ বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত সবসময় সমর্থন দিয়ে যাবে। দ্বিপক্ষীয় বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এবং যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। ’ এই বিজয় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
আজ শুক্রবার এক বার্তায় ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এক বার্তায় বলেছে, ‘একটি অবাধ ও সফল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। সেই সঙ্গে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকেও (বিএনপি) জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আমরা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনার অপেক্ষায় রয়েছি।’
শুক্রবার সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক অভিনন্দন বার্তায় বলা হয়, ‘একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।’
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ আজ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তার দলের নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে অভূতপূর্ব বিজয়ের নেতৃত্ব দেওয়ায় আমি জনাব তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। একই সঙ্গে সফলভাবে নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই।’
বার্তায় আরও বলা হয়, ‘দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে আমাদের ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃপ্রতিম ও বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
শাহবাজ শরিফ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও সম্পর্ক আরও গভীর করার ব্যাপারে পাকিস্তানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।


























