ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে এত আগ্রহ আগে কখনো দেখিনি, এবারের নির্বাচন একটা যুগান্তকারী ঘটনা। নির্বাচন যে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে, তা প্রমাণিত হয়েছে। সব সময় চেষ্টা ছিল নির্বাচন সুষ্ঠু করার। যাতে মানুষই সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কারা তাদের প্রতিনিধি হবেন। চেয়েছি ভোটাধিকারটা রক্ষা করতে। ওই দলটি (বিএনপিকে ইঙ্গিত করে) নির্বাচনে আসেনি, ভোটকে ভয় পেয়ে। এই বিজয় শুধু আমার নয়, এটা জনগণের বিজয়। কারণ এখানে জনগণের যে অধিকারটা আছে, সরকার গঠন করার ক্ষমতা তাদের হাতে, যেটি আমার দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, জনগণের ভোটের অধিকার, এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তা সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।
আজ সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা হয়েছে। এ মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভার শুরুতে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। বক্তব্য শেষে সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আমি স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট সমাজ ও স্মার্ট অর্থনীতি গঠন করতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে সেই উদাহরণ সৃষ্টি করতে পেরেছি।এই নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকারটা সুরক্ষিত হয়েছে। এখনো নির্বাচনী গেজেট ঘোষণা হয়নি। তাই অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সাংবিধানিক সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই শপথ ও মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিবার সরকার গঠনের পর তিনটি ধাপে কর্মপরিকল্পনা করা হয়। বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সবসময় সহযোগিতা পাচ্ছি।পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমাদের নীতি সবার সঙ্গে বন্ধত্ব কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়।
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আগামী ৫ বছরে আমার লক্ষ্য। দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা সবার আগে। তাদের বেটার লাইফ কীভাবে নিশ্চিত হবে সেটাই ভাবনা।’
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাজার বিষয়ের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ড. ইউনুসের সাজার বিষয়ে আমার কোনো দায় নেই, এটি শ্রম আদালতের বিষয়।’
বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আপনারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, আমাদের দেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর।
এসময় দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক, বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে পুতুলসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


























