spot_img

সেদিন ইউএনওর জামিন নামঞ্জুর হয়নি : বিচারক

ডেস্ক রিপোর্ট,  জনতারআদালত.কম , ২৪ জুলাই, ২০১৭ ।

 

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে মানহানির মামলায জামিন নামঞ্জুরের কোন আদেশ দেয়া হয়নি।

ওইদিন জামিনই দিয়েছিলো আদালত। রোববার সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো ব্যাখ্যায় একথা বলেছেন বরিশাল মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইন।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর পাঠানো চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “আদালতের কার্যপ্রণালী শেষে এজলাস ত্যাগ করে খাসকামরায় এসে শুনি ইউএনও সাহেবের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে।

“প্রকৃতপক্ষে ইউএনও সাহেবের জামিন আবেদন একটিবারের জন্যও নামঞ্জুর করা হয়নি। ফলে জেল হাজতে পাঠানোর কোনো প্রশ্নই উঠে না।”
ব্যাখ্যায় বলা হয়, ইউএনওর পক্ষে নথি দাখিল হলে এবং উত্তেজনার পরিস্থিতির অবসান হলে জামিনের আবেদন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ ধারার আবেদন আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরন করে জামিন দেয়া হয়।

ইউএনওর আদালত কক্ষ ত্যাগের পরে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি পরিহারের জন্যই আমি তৎক্ষণাৎ জামিনের দরখাস্তের আদেশ না দিয়ে নথি দাখিল হলে শুনানি শেষে আদেশ দেয়া হবে বলে উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি।

ব্যাখ্যায় বলা হয়, সিআর-৪২৭/১৭ (কোতোয়ালি) মামলাটি শুনানি চলাকালে উৎসুক জনসাধারণের রোষানল হতে ইউএনওর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য শুনানি মুলতুবি করা হয়।

“আমি তখন ইউএনও সাহেবকে আদালত কক্ষে বসতে বলি। আদালতে কর্তব্য পালনরত পুলিশ সদস্যরা ইউএনও সাহেবের সার্বিক ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধ্যমত চেষ্টা করেন। ইউএনও সাহেবকে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা দিয়ে আদালতের কক্ষে বসানোর জন্য আদালত কক্ষের এক দরজা দিয়ে বের হয়ে বারান্দা ব্যবহার করে অন্য দরজা দিয়ে আদালত কক্ষে আনতে হয়েছে। এই সময়ে মিডিয়ার কর্মীরা বা অন্য কেউ কোনো ছবি তুলেছেন কি না,তা অবলোকন করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। এই সময়ে কী সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, তা আমি বিচারকার্য পরিচালনাধীন থাকায় জানতে পারিনি।
“অতঃপর ইউএনও সাহেবের পক্ষে কাগজাত হলে এবং উত্তেজনার পরিস্থিতির অবসান হলে জামিনের দরখাস্ত এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ ধারার দরখাস্ত আইনানুগ প্রক্রিয়া পালনপূর্বক মঞ্জুর ক্রমে সসম্মানে জামিন প্রদান করা হয়।”
প্রথমে শুনানির পর জামিন মঞ্জুরের আদেশ না দেওয়ার পক্ষে ব্যাখ্যা দিয়ে আলী হোসাইন বলেন, ইউএনওর আদালত কক্ষ ত্যাগের পর তার নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তিনি তা করেছিলেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ