রবিউল হাসান লায়ন , জামালপুর,
জনতারআদালত.কম , ২২ জুলাই, ২০১৭ ।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের আমখাওয়া গ্রামের জিকির উল্যার মেয়ে জিনজিরা খাতুন (১৫) নামের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আমখাওয়া গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে ফারুক সরকারী প্রাইমারী স্কুলের দপ্তরীর প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে জিনজিরা খাতুনকে ভোগ করতে থাকে। দপ্তরী ফারুক সর্ম্পকে চাচা ভাতিজি এ নিয়ে আমখাওয়া গ্রামে সমালোচনার ঝড় বইছে।
জিনজিরা খাতুনের মামা রফিকুল ইসলাম বলেন, দপ্তরী ফারুক দীর্ঘদিন যাবত প্রেমের সম্পর্ক গড়েতোলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এখন জিনজিরা খাতুন ৬ মাসের অন্তস্বত্ত্বা। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
জিনজিরা খাতুনের মা রওশনারা কাছ থেকে জানা যায়, চার বৎসর বছর জাবত ফারুক জিনজিরা খাতুনকে বিবাহর প্রলোভন দেখিয়ে গুপন সূত্রে দৈহিক মিলন করে এক পর্যায় মেয়েটির গর্ভে সন্তান ধারন করে। ফারুক জানতে পেরে তার বন্ধুকে নিয়ে জিনজিরা খাতুনকে ফুসলাইয়া ফাসলাইয়া দেওয়ানগঞ্জে নিয়ে আসে। অতঃপর জিনজিরা বেগমের গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলে। জিনজিরা বেগম গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় রয়েছেন।
আমখাওয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আল মামুন বলেন, মা ও মেয়েকে হুমকী দিয়ে তাদের সাথে এনে ৬ মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য সেবিকার সাথে কথা বলে ১২ ঘন্টা মেয়াদি সন্তান নষ্ট করার একটি ব্যবস্থা পত্র নেয় গত মঙ্গল বারে। পড়ে মেয়েটিকে ব্যবস্থা পত্র মোতাবেক ঔষুধ খাওয়ালে বাচ্চাটি নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে মা রওশনারা তার মেয়ে জিনিয়াকে নিয়ে ফারুকের বাড়ীতে গেলে মেয়ের মা ও মেয়েকে এক পর্যায় ফারুক ও তার আত্মীয় স্বজনরা মারপিট করে বাড়ি থেকে তারিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন। পড়ে মেয়েটি অসুস্থ্য হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে এলাকার ইউপি সদস্য জলিল, সুনাহার, জিনজিরাকে নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধায় দেওয়ানগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে চলে যায়।
এব্যাপারে ইউপি সদস্য জলিল মিয়ার কাছে জানতে চাইলে বলেন আমরা দৌলত চৌধুরী চেয়ারম্যান সাহেবকে নিয়ে আমখাওয়া বাজারে বসতেছি।
এলাকার সাধারণ মানুষরা বলেন, নিষপাপ শিশু সন্তান কি অপরাধ করেছে? তাকে কেন হত্যা করা হলো। আমরা সাধারণ মানুষ এর বিচার চাই। জিনজিরা খাতুন এখন মৃত্তুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
দেওয়ানগঞ্জ থানার ইনচার্জ বলেন, এব্যাপারে এখনো থানায় কোন অভিযুক দায়ের করেনি। যদি কেউ অভিযোগ দায়ের করে তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।


























