ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
এ নিয়ে চলতি মাসের গত ২৪ দিনে (১ জুন সকাল ৬টা থেকে ২৪ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত) এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেলেন ২৬০ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ১২১ জন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৯৩ জন। এর আগে সবচেয়ে বেশী মারা যান গত ৪ জুন ও ২৩ জুন ১৬ জন এবং সবচেয়ে কম ১২ জুন চারজন।
শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৪ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ৩৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০, নাটোরের চার, নওগাঁর ছয় ও পাবনার একজন। সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৩ জন। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৩৫৭ বেডের বিপরীতে মোট চিকিৎসাধীন রোগী আছেন ৪০৪ জন। বাকিদের মেঝে ও বারান্দায় অতিরিক্ত বেড তৈরী করে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এর মধ্যে রাজশাহীর ২৭২ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৯ জন, নাটোরের ২৬ জন, নওগাঁর ৩২ জন, পাবনার ১০ জন, কুষ্টিয়ার তিনজন, চুয়াডাঙ্গার একজন ও ঢাকার একজন রয়েছেন। আইউসিইউতে ভর্তি আছেন ১৮ জন।
এদিকে করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা রাজশাহীতে ‘বিশেষ লকডাউনের’ মেয়াদ তৃতীয় দফার মত আরও এক সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়েছে। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল জলিল এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। অর্থাৎ রাজশাহীতে ১১ জুন থেকে চলমান কঠোর লকডাউন এবার ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত গড়ালো।
এর আগে গত ১৬ জুন রাতে রাজশাহী সার্কিট হাউসে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় দ্বিতীয় দফায় আরও এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়। দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ হবে ২৪ জুন মধ্য রাতে। এর পর থেকে তৃতীয় দফায় আরও এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন চলবে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত। তবে এবারের লকডাউনে রাজশাহী শহরের সঙ্গে কোনো উপজেলার যোগাযোগ থাকবে না বলে জানানো হয়েছে। কেউ উপজেলা থেকে শহরে প্রবেশ করতে পারবে না। আবার শহর থেকে কেউ উপজেলা পর্যায়ে প্রবেশ করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।


























