ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
টানটান রহস্য উন্মোচনের চেয়েও যেখানে বড় হয়ে ওঠে তার নেপথ্যে থাকা চরিত্রদের জার্নি, অতর্কিত ধাক্কা যখন উঠে আসে পরিবারের অন্দর থেকেই… সেটা শুধু আর একটা সাধারণ ক্রাইম ড্রামা হয়ে রয়ে যায় না। অপরাধকে ছাপিয়ে যায় তার কেন্দ্রে থাকা যন্ত্রণা। আর তা খুঁড়ে বার করার মধ্য দিয়ে এক নারী খুঁজে পায় নিজেকে। এই উত্তরণের গল্পই বলে সাত পর্বের এইচবিও সিরিজ় ‘মেয়ার অফ ইস্টটাউন’।
ডিজ়নি প্লাস হটস্টারে স্ট্রিমিং হওয়া এই সিরিজ়ে আরও একবার স্বমহিমায় চোখ-মন-মাথা ধাঁধিয়ে দিলেন কেট উইন্সলেট। জমাট চিত্রনাট্যকে পূর্ণতা দিয়েছে তাঁর অনবদ্য অভিনয়।
ফিলাডেলফিয়ার ছোট্ট সাবআর্ব ইস্টটাউন হঠাৎই ত্রস্ত হয়ে ওঠে একের পর এক তরুণী নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায়। রহস্যের সুরাহা করতে ব্যর্থ স্থানীয় পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ। ডিটেকটিভ মেয়ারও (কেট) বছরভর চেষ্টা করেও নিরুদ্দিষ্টদের সন্ধান পায় না। এরই মধ্যে শহরে ঘটে যায় আরও এক তরুণীর রহস্যমৃত্যু। তদন্তে নেমে একের পর এক অপ্রিয় সত্যির পর্দা খুলে যেতে থাকে। পাশাপাশি নিজের সঙ্গেও লড়াই জারি থাকে মেয়ারের। মানসিক ভাবে অসুস্থ, নেশাসক্ত ছেলের আত্মহত্যার জন্য নিজেকে ক্ষমা করতে পারেনি সে। নাতিকে নিয়ে কাস্টডি ব্যাটলেও ক্লান্ত। উপরন্তু ভেঙে গিয়েছে তার নিজের বিয়ে। স্বামী নতুন সংসার পেতেছে প্রায় তার পাশের বাড়িতেই। প্রতি মুহূর্তে ব্যর্থতা, প্রত্যাখ্যান, দোষারোপের সম্মুখীন হতে থাকা মেয়ার নিজেকে টেনে নিয়ে এগিয়ে চলে। সত্যিটা খুঁজে বার করার জেদ তাকে থামাতে পারে না। রহস্যের পর্দা শেষে সরে যায়, বলাই বাহুল্য। তবে সেখানেই শেষ হয়ে যায় না গল্প। মেয়ারের জন্য শেষ পর্বে অপেক্ষা করে থাকে একটা ধাক্কা। যার অভিঘাত চমকে দেয় দর্শককেও।


























