ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ২ নভেম্বর, ২০১৭ ।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত।
আগামী ৯ নভেম্বর এ মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সে পর্যন্ত তাকে জামিন দেয়া হয়েছে। সেদিন তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনে তার অসমাপ্ত বক্তব্য রাখতে বলা হয়েছে।
রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।
এই দুই মামলায় আদালতে তৃতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবার আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ নভেম্বর।
সকাল ১১টা ২৪ মিনিটে আদালতে হাজির হন তিনি। আদালতে হাজির হওয়ার পর তার আইনজীবীরা স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক স্থায়ী জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে মামলার আগামী শুনানির দিন পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ দুটি মামলার ৯ জনের পুনঃজেরা ও দুজনের জেরাসংক্রান্ত এবং মামলাটি স্থগিত চেয়ে করা আবেদন হাইকোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে বলে আদালতকে অবহিত করেন।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ আদালতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়। কিন্তু ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়ার সেই আবেদনও নামঞ্জুর করে দেন।
এর পর দুপুর ১টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। তিনি ১৫ মিনিটের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেওয়ার পর মুলতবি প্রার্থনা করেন।
জামিন আবেদনের সময় খালেদার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন জানান, খালেদা জিয়া এদেশের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। তিনি পালিয়ে যাওয়ার মতো নেত্রী নন। তিনি কখনো আদালতের মিস ইউজ করেননি। চিকিৎসার জন্য লন্ডন গিয়েছিলেন। পূর্ণ চিকিৎসা করতে পারেননি। আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে হাজিরা দেওয়ার জন্য দেশে ফিরেছেন।
আদালতের প্রতি আমাদের আবেদন, সব বিষয় বিবেচনা করে আদালত যেন মামলার জামিন স্থায়ী করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনের পর অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ ধার্য তারিখ পর্যন্ত বহাল রাখার আবেদন জানান রাষ্ট্রপক্ষের আনইজীবীরা। তাদের দাবি, খালেদা জিয়া আদালতের আদেশের মিস ইউজ করেছেন।


























